Subject
বিগত বছরের প্রশ্ন
Topic
বিসিএস ৪১তম
২০১৫ সালের প্যারিস চুক্তির সাথে সম্পর্কিত বিষয়বস্তু হলো:
২০১৫ সালের প্যারিস চুক্তির সাথে সম্পর্কিত বিষয়বস্তু হলো:
ক)
আপদ ঝুঁকি হ্রাসখ)
জলবায়ু পরিবর্তন হ্রাসগ)
জনসংখ্যা বৃদ্ধি হ্রাসঘ)
সমুদ্র পরিবহন ব্যব্স্থাপনাExplanation
২০১৫ সালের ১২ ডিসেম্বর প্যারিসে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে ১৯৩টি দেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন প্যারিস চুক্তিতে স্বাক্ষর করে। ২০১৬ সালের ৪ নভেম্বর এটি কার্যকর হয়। চুক্তির মূল লক্ষ্য: শিল্পায়ন-পূর্ববর্তী যুগের তুলনায় বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা। ২০৫০ থেকে ২১০০ সালের মধ্যে গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ নেট-জিরো পর্যায়ে নামিয়ে আনা (অর্থাৎ, গাছ, মাটি ও সমুদ্র যতটা কার্বন শোষণ করতে পারে, নিঃসরণও সেই পর্যায়ে নামিয়ে আনা)। প্রতিটি দেশ নিজস্ব কার্বন নিঃসরণ লক্ষ্যমাত্রা (NDC) নির্ধারণ ও পাঁচ বছর পরপর তা পর্যালোচনা করা। ধনী দেশগুলোর ‘জলবায়ু তহবিল’ দিয়ে গরিব দেশগুলোকে সহায়তা করা। ২০২৫ সালের সর্বশেষ অবস্থা ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্যারিস চুক্তির আওতাভুক্ত দেশগুলোর জন্য নতুন, আরও উচ্চাকাঙ্ক্ষী NDC (জাতীয়ভাবে নির্ধারিত অবদান) জমা দেওয়ার সময়সীমা ছিল। কিন্তু মাত্র ১৫টি দেশ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তাদের নতুন লক্ষ্য জমা দিয়েছে, যা মোট সদস্য দেশের ৮ শতাংশেরও কম। এই দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে: অ্যান্ডোরা, বতসোয়ানা, ব্রাজিল, ইকুয়েডর, লেসোথো, মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ, নিউজিল্যান্ড, সেন্ট লুসিয়া, সিঙ্গাপুর, সুইজারল্যান্ড, যুক্তরাজ্য, সংযুক্ত আরব আমিরাত, উরুগুয়ে, যুক্তরাষ্ট্র ও জিম্বাবুয়ে। পরে কানাডা ও জাপানও তাদের লক্ষ্য জমা দিয়েছে। অধিকাংশ দেশ বছরের শেষ দিকে নতুন NDC জমা দেবে বলে জানিয়েছে, যাতে পরিকল্পনাগুলো আরও কার্যকর ও উচ্চ মানসম্পন্ন হয়। সেপ্টেম্বর ২০২৫-এর মধ্যে UNFCCC সেক্রেটারিয়েটকে সব NDC জমা দিতে বলা হয়েছে, যাতে নভেম্বরে ব্রাজিলের বেলেমে অনুষ্ঠিতব্য COP30 সম্মেলনের আগে সম্মিলিত অগ্রগতি মূল্যায়ন করা যায়। যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান অবস্থা (২০২৫) ২০২০ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট থাকার সময়ে যুক্তরাষ্ট্র প্যারিস চুক্তি থেকে সরে যায়। ২০২১ সালের জানুয়ারিতেই আবার বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন যুক্তরাষ্ট্রকে এই চুক্তিতে ফিরিয়ে আনেন। তবে ২০২৫ সালের ২০ জানুয়ারি, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও যুক্তরাষ্ট্রকে প্যারিস চুক্তি থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দেন। যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণকারী দেশ এবং এর ভূমিকা বৈশ্বিক জলবায়ু উদ্যোগে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্বের অগ্রগতি ও চ্যালেঞ্জ ২০২৫ সালের মধ্যে গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছে ২০৩০ সালের মধ্যে ৪৩% কমানো দরকার, যদি বৈশ্বিক উষ্ণতা ১.৫°C সীমায় রাখতে হয়। ২০২৪ সালের তথ্য অনুযায়ী, ২৫টি প্রধান নিঃসরণকারী দেশের সম্মিলিত নিঃসরণ ২০১৯ সালের তুলনায় মাত্র ২% কমেছে, যা লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় অনেক কম। অনেক দেশ এখনও তাদের NDC জমা দেয়নি, এবং বর্তমান নীতিমালায় বৈশ্বিক লক্ষ্য অর্জন কঠিন হবে। ২০২৫ সালের তথ্য অনুযায়ী, প্যারিস চুক্তির লক্ষ্য অর্জনে বিশ্ব এখনও পিছিয়ে আছে। মাত্র ১৫টি দেশ সময়মতো নতুন লক্ষ্য জমা দিয়েছে, এবং যুক্তরাষ্ট্র আবারও চুক্তি থেকে সরে যাওয়ায় বৈশ্বিক প্রচেষ্টায় অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। অধিকাংশ দেশ বছরের শেষ দিকে তাদের পরিকল্পনা জমা দেবে বলে আশা করা হচ্ছে, তবে বর্তমান অগ্রগতি চুক্তির মূল লক্ষ্য অর্জনের জন্য যথেষ্ট নয়।Related questions
ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানের পটভূমিকায় লেখা উপন্যাস কোনটি?আন্তর্জাতিক বিচার আদালত রোহিঙ্গা গণহত্যা বিষয়ক অন্তর্বর্তীকালীন রায়ে মিয়ানমারকে কয়টি নির্দিষ্ট ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলেছে?বিধবার প্রেম নিয়ে রচিত উপন্যাস কোনটি?কোন দুটি দেশের মধ্যে সীমান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য ২০১৯ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার দেয়া হয়?[তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন]জেলে জীবন কেন্দ্রিক উপন্যাস কোনটি?ব্রিটিশ ভারতের রাজধানী কলকাতা থেকে দিল্লীতে স্থানান্তরিত হয় কত সালে?‘ডিঙি টেনে বের করতে হবে।’-কোন ধরনের বাক্যের উদাহরণ?ক্লাউড কম্পিউটিং এর সার্ভিস মডেল কোনটি?
