বাংলাদেশের বনভূমি ৩ ধরনেরঃ ক্রান্তীয় চিরহরিৎ বনভূমি: যে সকল উদ্ভিদের পাতা একসঙ্গে ঝরে পড়ে না এবং পাতা গুলো চিরসবুজ থাকে তাদের চিরহরিৎ উদ্ভিদ বলে। - ক্রান্তীয় চিরহরিৎ বৃক্ষের বনভূমি পার্বত্য চট্টগ্রাম, চট্টগ্রাম, সিলেট অঞ্চলে অবস্থিত।চন্দ্রঘোনা কাগজকলে পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের বাঁশ ব্যবহৃত হয়। - গর্জন ও জারুল গাছ রেলের স্লিপার তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। ক্রান্তীয় পত্রঝরা বনভূমি: যে সকল গাছের পাতা বছরে একবার সম্পূর্ণ ঝরে যায়, তাদের পাতাঝরা উদ্ভিদ বলে। এই বনভূমির অবস্থান ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, গাজীপুর, রংপুর ও দিনাজপুর জেলায় অবস্থিত। ভাওয়াল ও মধুপুরের গজারি বন দেশের সবচেয়ে পত্রঝরা বনাঞ্চল। স্রোতজ (ম্যানগ্রোভ) বনভূমি: যে বন জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয় আবার ভাটার সময় শুকিয়ে যায়, তাকে টাইডাল বন বা 'জোয়ার ভাটার বন' বলে। - স্রোতজ বনভূমি বা উপকূলীয় বনকে ম্যানগ্রোভ বন বলে। - যেমন- সুন্দরবন। সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ সুন্দরী। সুন্দরী বৃক্ষের নাম থেকে সুন্দরবনের নামকরন করা হয়েছে। সুন্দরবনের অন্য নাম বাদাবন।