Subject
বাংলা সাহিত্য
Topic
আধুনিক যুগের সূচনা
বিদ্যাসাগরের রচনাকে কয়টি ধারায় ভাগ করা যায়?
বিদ্যাসাগরের রচনাকে কয়টি ধারায় ভাগ করা যায়?
ক)
১টিখ)
২টিগ)
৩টিঘ)
৪টিExplanation
- আধুনিক বাংলা গদ্যের প্রধান রূপকার ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর নানাভাবে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেন। - উনিশ শতকের মানবতাবাদে যেমন, বাংলা গদ্যের সার্থক শিল্পরূপ নির্মাণের ক্ষেত্রেও তেমনি তিনি খ্যাতি অর্জন করেন। - বিদ্যাসাগরের রচনাকে চারটি ধারায় ভাগ করা যায়: সমাজবিষয়ক রচনা, রম্যরচনা, পাঠ্যপুস্তক ও সাহিত্যধর্মী রচনা। - তাঁর রচনার প্রধান বৈশিষ্ট্য বাংলা গদ্যে সাবলীল গতিভঙ্গি তথা অন্তর্নিহিত ছন্দ আবিষ্কার এবং বিরামচিহ্নের যথাযথ ব্যবহার - উনিশ শতকের বাংলা গদ্যের প্রধান পরিকল্পনাকারী ও নিয়ন্ত্রক ছিলেন বিদ্যাসাগর।Related questions
'অভিমন্যুর ' মাতার নাম কী?'দিব্যকমল"- নাটকটির রচয়িতা কি?পাঠ্যপুস্তকের বাইরে সর্বপ্রথম বাংলা গদ্যরীতির ব্যবহার করেন কোন বাঙালি ?"স্মৃতির শহর"- শামসুর রহমানের কোন জাতীয় রচনা?ব্রাক্ষসমাজ কে প্রতিষ্ঠা করেন?সত্যেন্দ্রনাথ দত্তকে "ছন্দের জাদুকর" উপাধি দিয়েছেন কে?"Frontier"- পত্রিকাটির প্রতিষ্ঠাতা কে?ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ সম্পাদিত 'বুড্ডিস্ট মিস্টিক সংস ' কত সালে প্রকাশিত হয় ?
