Explanation
বাক্যের শেষে বসে ৩টি যতিচিহ্ন বা বিরাম চিহ্ন। এগুলো হলোঃ দাঁড়ি চিহ্ন, প্রশ্নবোধক চিহ্ন এবং বিস্ময় চিহ্ন। এগুলোকে প্রান্তিক যতিচিহ্ন বলে। (বোর্ড বই অনুসারে)। কিছু বইতে ৪টি দেওয়া আছে, দাঁড়ি ,দুই দাঁড়ি চিহ্ন মূলত পদ্যে ব্যবহৃত হয়। প্রাচীনকাল পদ্যে প্রথম চরণে এক দাঁড়ি ও দ্বিতীয় চরণে দাঁড়ি ব্যবহৃত হতো । বোর্ড বই অনুসারে আমাদের ৩টি দিতে হবে। » যতি/ছেদ চিহ্নের প্রবর্তক- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। » যতি চিহ্ন মোট ১২ টি। ব্যাকরণিক চিহ্ন (৪টি) » ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর তাঁর 'বোতল পঞ্চবিংশতি' (১৮৪৭) গ্রন্থ প্রথম যতিচিহ্নের ব্যবহার দেখান। » বাংলা একাডেমির প্রমিত বাংলা ভাষার ব্যাকরণ(২য় খণ্ড, পৃঃ২২৭, ২য় সংস্করণ,২০১২) অনুযায়ী যতি বা ছেদ চিহ্ন ১৬ টি। » দাঁড়ির অপর নাম- পূর্ণচ্ছেদ » কমার অপর নাম- পাদচ্ছেদ » সেমিকোলনের অপর নাম- অর্ধচ্ছেদ » ইলেকের অপর নাম - লোপচিহ্ন » ড্যাশের অপর নাম- কষি চিহ্ন » হাইফেনের অপর নাম- শব্দ সংযোগ চিহ্ন বিরতি কালঃ » এক বলতে সময় লাগে - ২ টি ( উদ্ধরণ, কমা) » এক বলার দ্বিগুণ সময় লাগে- ১টি (সেমিকোলন) » থামার প্রয়োজন নেই- ৩টি (হাইফেন, ইলেক, বন্ধনি) » এক সেকেন্ড থামতে হয়- ৬টি (দাঁড়ি, প্রশ্নবোধক, বিস্ময়, কোলন, ড্যাশ, কোলনড্যাশ)