Subject
বাংলা সাহিত্য
Topic
প্রাচীন যুগ ও চর্যাপদ
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস গ্রন্থে চর্যায় প্রাপ্ত কতটি পদের কথা উল্লেখ্য আছে?
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস গ্রন্থে চর্যায় প্রাপ্ত কতটি পদের কথা উল্লেখ্য আছে?
ক)
৫০টিখ)
৫১টিগ)
৪৯টিঘ)
৪৮টিExplanation
- চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রথম কাব্যগ্রন্থ/কবিতা সংকলন/ গানের সংকলন। - এটি বাংলা সাহিত্যের আদি যুগের একমাত্র লিখিত নিদর্শন। - ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজ দরবার গ্রন্থাগার থেকে এটি আবিষ্কার করেন। - চর্যাপদের চর্যাগুলো রচনা করেন বৌদ্ধ সহজিয়াগণ। চর্যাপদে বৌদ্ধধর্মের কথা বলা হয়েছে। - চর্যাপদ তিব্বতি ভাষায় অনুবাদ করেন কীর্তিচন্দ্র। - ১৯৩৮ সালে প্রবোধচন্দ্র বাগচী চর্যাপদের তিব্বতি ভাষার অনুবাদ আবিষ্কার করেন। - সংস্কৃত ভাষায় মুনিদত্ত চর্যাপদের ব্যাখ্যা করেন। তিনি ১১নং পদের ব্যাখ্যা করেননি। - সুকুমার সেনের 'বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস' (প্রথম খণ্ড) গ্রন্থে চর্যাপদের ২৪ জন পদকর্তার নাম পাওয়া যায়। - ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ সম্পাদিত 'Buddhist Mystic Songs' গ্রন্থে চর্যাপদের ২৩ জন কবির নাম উল্লেখ আছে। - সুকুমার সেন মনে করেন যে, চর্যাপদের পদসংখ্যা - ৫১টি ; তবে তিনি তার 'চর্যাগীতি পদাবলী' গ্রন্থে ৫০টি পদের উল্লেখ করেছেন। আলোচনা অংশে তার বক্তব্য মুনিদত্ত ৫০টি ব্যাখ্যা করেছিলেন। - আবার ড. শহীদুল্লাহ চর্যাপদের পদ সংখ্যা ৫০টি বলে মনে করেন।Related questions
‘চর্যাচর্যবিনিশ্চয়’-এর অর্থ কী?সবচেয়ে বেশি চর্যাপদ পাওয়া গেছে কোন কবির?বাংলা সাহিত্যের আদি গ্রন্থ 'চর্যাপদে'র রচনাকাল -ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে, চর্যাপদের ভাষাবাংলা সাহিত্যের প্রথম নিদর্শন চর্যাপদের প্রাপ্ত পদসংখ্যা -চর্যাপদ কোন ধর্মাবলম্বীদের সাহিত্য?'আপনা মাংসে হরিণা বৈরী'- লাইনটি কোন সাহিত্যের অন্তর্ভূক্ত?"টালত মোর ঘর নাহি পড়বেশী । হাড়ীত ভাত নাহি নিতি আবেশী ।" চর্যাপদের এ চরণটির মাধ্যমে কি বোঝানো হয়েছে ?
