Subject
বাংলা সাহিত্য
Topic
মধ্যযুগ
নিচের কোনটি মঙ্গলকাব্যের অংশ নয়?
নিচের কোনটি মঙ্গলকাব্যের অংশ নয়?
ক)
মর্ত্যখণ্ডখ)
আত্মপরিচয়গ)
শ্রুতিফলঘ)
তিরোধানExplanation
বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগে বিশেষ এক শ্রেণীর ধর্মবিষয়ক আখ্যান কাব্য মঙ্গলকাব্য নামে পরিচিত। বলা হয়ে থাকে, যে কাব্যে দেবতার আরাধনা, মাহাত্ম্য-কীর্তন করা হয়, যে কাব্য শ্রবণেও মঙ্গল হয় এবং বিপরীতে হয় অমঙ্গল;যে কাব্য মঙ্গলাধার, এমন কি, যে কাব্য ঘরে রাখলেও মঙ্গল হয় তাকে বলা হয় মঙ্গলকাব্য। - মঙ্গলকাব্যের মধ্যে প্রাচীনতম শাখা মনসামঙ্গল। সর্প দেবী মনসা/পদ্মাবতীর কাহিনী অবলম্বনে রচিত। - দ্বিজ বংশীদাস মনসামঙ্গল কাব্য ধারার কবি। তিনি ছিলেন বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহিলা কবি চন্দ্রাবতীর পিতা। - ক্ষেমানন্দ ছিলেন মনসামঙ্গলের জনপ্রিয় কবি। - মঙ্গলকাব্য প্রধানত ২ প্রকার। যথাঃ পৌরাণিক মঙ্গল ও লৌকিক মঙ্গল। - মঙ্গলকাব্যের অংশ ৫টি যথাঃ বন্দনা, আত্মপরিচয়, দেবখণ্ড, মর্ত্যখণ্ড, শ্রুতিফল। কোন কোন মতে মঙ্গল কাব্যের বিষয়বস্তু ৪টি অংশে বিভক্ত। যথা- বন্দনা, আত্মপরিচয়, দেবখণ্ড এবং নরখণ্ড ও আখ্যায়িকা। - মঙ্গলকাব্যের প্রভাব বেশি মনসা ও চণ্ডী দেবতার, তবে এর মূলধারা মনসা, চণ্ডী, অন্নদামঙ্গল। - এর অপ্রধান শাখা আছে- ২টি যথাঃ ধর্মমঙ্গল, শিবমঙ্গল/ কালিকামঙ্গল।Related questions
মঙ্গলকাব্য সৃষ্টির উদ্দেশ্য কি ছিল?'তাপসমালা' কার রচিত?শৃঙ্গার রসকে বৈষ্ণব পদাবলিতে কী রস বলে?মুরারীগুপ্তের কাব্যের প্রকৃত নাম কি?মধ্যযুগের শেষ কৰি ভারতচন্দ্র রায়গুনাকর কত সালে মৃত্যুবরণ করেন?কোন কবির মাধ্যমে অনুবাদ সাহিত্যের জয়যাত্রা শুরু করে?বাংলাসাহিত্যের প্রথম জীবনী সাহিত্য কোনটি?মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে কোন ধর্মপ্রচারক-এর প্রভাব অপরিসীম?
