Subject
বাংলা সাহিত্য (ব্যাকরণ ছাড়া)
Topic
প্রাচীন যুগ ও মধ্যযুগ
'নাড়ি শক্তি দৃঢ় ধরিআ খাতে।/অনহা ডমরু বাজই বীর নাটে।।-পদটির রচয়িতা -
'নাড়ি শক্তি দৃঢ় ধরিআ খাতে।/অনহা ডমরু বাজই বীর নাটে।।-পদটির রচয়িতা -
ক)
কাহ্নপাখ)
লুইপাগ)
শবরপাঘ)
ভুসুকুপাExplanation
কাহ্নপাকে (বা কাহ্নপাদ বা কাহ্নুপাদ বা কৃষ্ণপাদাচার্য)- চর্যাপদের প্রধান কবি বলা হয়। চর্যাপদের কবিদের মধ্যে তিনি সর্বশ্রেষ্ঠ। তাঁর রচিত পদের সংখ্যা ১৩ টি। সম্প্রদায়গতভাবে ব্রাহ্মণ হলেও সহজিয়া মতের দীক্ষা নিয়ে সিদ্ধাচার্য্য ও মণ্ডলাচার্য উপাধিতে ভূষিত হন তিনি। এটি চর্যা নং -১১ঃ নাড়িশক্তি দিঢ় ধরিঅ খট্টে। অনহা ডমরু বাজই বীরনাদে॥ কাহ্ন কপালী যোগী পইঠ অচারে। দেহনঅরী বিহরই একাকারে॥ আলি কালি ঘণ্টা নেউর চরণে। রবি শশী কুণ্ডল কিউ আভরণে॥ রাগ দেষ মোহ লাইঅ ছার। পরম মোখ লবএ মুত্তাহার॥ মারিঅ শাসু নণন্দ ঘরে শালী। মাঅ মারিআ কাহ্ন ভইল কবালী॥ আধুনিক বাংলায়: নাড়িশক্তি দৃঢ় করে ধরিও খাটে অনাহত ডমরু বাজে বীরনাদে। কাহ্ন কাপালিক যোগী প্রবেশি আচারে দেহনগরী বিহারে একাকারে। আলো-কালোর ঘন্টা নূপুর চরণে রবি শশী কুণ্ডল কর্ণাভরণে। গায়ে মেখে রাগ দ্বেষ মোহের ক্ষার* পরবো পরম মোক্ষের মুক্তাহার। ঘরে মেরে শাশুড়ি ননদ শালী মায়াকে মেরে কাহ্ন হলো কপালী।Related questions
‘চর্যাচর্যবিনিশ্চয়’-এর অর্থ কী?চর্যাপদ কোন ছন্দে রচিত??বাংলা সাহিত্যের প্রথম নিদর্শন চর্যাপদে প্রাপ্ত পদের সংখ্যা-সুকুমার সেনের মতে চর্যাপদের পদ কয়টি?হরপ্রসাদ শাস্ত্রী 'চর্যাপদ' যে গ্রন্থে প্রকাশ করেছিলেন তার নাম হলো-প্রাচীনতম গ্রন্থ কোনটি?মুনিদত্ত চর্যাপদের কোন পদটি ব্যাখ্যা করেন নি?হরপ্রসাদ শাস্ত্রী 'চর্যাপদ' যে গ্রন্থে প্রকাশ করেছিলেন তার নাম হলো-
