Subject
বাংলা সাহিত্য
Topic
প্রাচীন যুগ ও চর্যাপদ
'দুহিল দুধু কি বেন্টে যামায়' প্রবাদটি চর্যাপদের কত নং পদের?
'দুহিল দুধু কি বেন্টে যামায়' প্রবাদটি চর্যাপদের কত নং পদের?
ক)
৬ নংখ)
৩৩ নংগ)
৪৪ নংঘ)
৩২ নংExplanation
- বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের প্রাচীন নিদর্শন ‘চর্যাপদ’ গানের সংকলন বা সাধন সংগীত, যা বৌদ্ধ সহজিয়াগণ রচনা করেন। - এতে বিধৃত হয়েছে বৌদ্ধ ধর্মের তত্ত্বকথা। মহামহোপাধ্যায় সালে নেপালের হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ রাজদরবার (রয়েল লাইব্রেরি) থেকে ‘চর্যাপদ' আবিষ্কার করেন। - এতে প্রবাদ বাক্য আছে ৬টি । - যথা: • অপণা মাংসে হরিণা বৈরী (৬ নং পদ- হরিণের মাংসই তার জন্য শত্রু), • হাথে রে কাঙ্কাণ মা লোউ দাপণ (৩২ নং পদ- হাতের কাঁকন দেখার জন্য দর্পণ প্রয়োজন হয় না), • হাড়ীত ভাত নাহি নিতি আবেসী (৩৩ নং পদ- হাঁড়িতে ভাত নেই, অথচ প্রতিদিন প্রেমিকরা এসে ভীড় করে), • দুহিল দুধু কি বেন্টে যামায় ( ৩৩ নং পদ- দোহন করা দুধ কি বাটে প্রবেশ করানো যায়), • বর সুণ গোহালী কিমো দু বলন্দে (৩৯ নং পদ- দুষ্ট গরুর চেয়ে শূন্য গোয়াল ভাল) ও • অণ চাহন্তে আণ বিণঠা (৪৪ নং পদ - অন্য চাহিতে, অন্য বিনষ্ট)।Related questions
‘চর্যাচর্যবিনিশ্চয়’-এর অর্থ কী?সবচেয়ে বেশি চর্যাপদ পাওয়া গেছে কোন কবির?বাংলা সাহিত্যের আদি গ্রন্থ 'চর্যাপদে'র রচনাকাল -ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে, চর্যাপদের ভাষাবাংলা সাহিত্যের প্রথম নিদর্শন চর্যাপদের প্রাপ্ত পদসংখ্যা -চর্যাপদ কোন ধর্মাবলম্বীদের সাহিত্য?'আপনা মাংসে হরিণা বৈরী'- লাইনটি কোন সাহিত্যের অন্তর্ভূক্ত?"টালত মোর ঘর নাহি পড়বেশী । হাড়ীত ভাত নাহি নিতি আবেশী ।" চর্যাপদের এ চরণটির মাধ্যমে কি বোঝানো হয়েছে ?
