Subject
বাংলা সাহিত্য
Topic
প্রাচীন যুগ ও চর্যাপদ
চর্যাপদের যে কবির নাম থাকলেও পদ পাওয়া যায়নি?
চর্যাপদের যে কবির নাম থাকলেও পদ পাওয়া যায়নি?
ক)
লাড়ীডোম্বীপাখ)
লুইপাগ)
কাহ্ন পাঘ)
ভুসুকুপাExplanation
আবিষ্কৃত পুঁথিটিতে ৫০টি চর্যায় মোট ২৪ জন সিদ্ধাচার্যের নাম পাওয়া যায়। এঁরা হলেন: লুই, কুক্কুরী, বিরুআ, গুণ্ডরী, চাটিল, ভুসুকু, কাহ্ন, কাম্বলাম্বর, ডোম্বী, শান্তি, মহিত্তা, বীণা, সরহ, শবর, আজদেব, ঢেণ্ঢণ, দারিক, ভাদে, তাড়ক, কঙ্কণ, জঅনন্দি, ধাম, তান্তী পা, লাড়ীডোম্বী। এঁদের মধ্যে লাড়ীডোম্বীর পদটি পাওয়া যায়নি। ২৪, ২৫ ও ৪৮ সংখ্যক পদগুলি হরপ্রসাদ শাস্ত্রী আবিষ্কৃত পুঁথিতে না থাকলেও ডক্টর প্রবোধচন্দ্র বাগচী আবিষ্কৃত তিব্বতি অনুবাদে এগুলির রচয়িতার নাম উল্লিখিত হয়েছে যথাক্রমে কাহ্ন, তান্তী পা ও কুক্কুরী।Related questions
‘চর্যাচর্যবিনিশ্চয়’-এর অর্থ কী?সবচেয়ে বেশি চর্যাপদ পাওয়া গেছে কোন কবির?বাংলা সাহিত্যের আদি গ্রন্থ 'চর্যাপদে'র রচনাকাল -ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে, চর্যাপদের ভাষাবাংলা সাহিত্যের প্রথম নিদর্শন চর্যাপদের প্রাপ্ত পদসংখ্যা -চর্যাপদ কোন ধর্মাবলম্বীদের সাহিত্য?'আপনা মাংসে হরিণা বৈরী'- লাইনটি কোন সাহিত্যের অন্তর্ভূক্ত?"টালত মোর ঘর নাহি পড়বেশী । হাড়ীত ভাত নাহি নিতি আবেশী ।" চর্যাপদের এ চরণটির মাধ্যমে কি বোঝানো হয়েছে ?
