Subject

    বিগত বছরের প্রশ্ন

    Topic

    বিসিএস ৪৫তম

    চর্যাপদের তিব্বতি অনুবাদ প্রকাশ করেন কে?

    ক)
    প্রবোধচন্দ্র বাগচী
    খ)
    যতীন্দ্র মোহন বাগচী
    গ)
    প্রফুল্ল মোহন বাগচী
    ঘ)
    প্রণয়ভূষণ বাগচী

    Explanation

    -বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের প্রাচীন নিদর্শন ‘চর্যাপদ গানের সংকলন বা সাধন সংগীত, যা বৌদ্ধ সহজিয়াগণ রচনা করেন। -এতে বিধৃত হয়েছে বৌদ্ধ ধর্মের তত্ত্বকথা। -মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবার (রয়েল লাইব্রেরি) থেকে ‘চর্যাপদ’ আবিষ্কার করেন। -তাঁর সম্পাদনায় ১৯১৬ সালে কলকাতার ‘বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ’ থেকে ‘চর্য্যাচর্য্যবিনিশ্চয়'’, ‘ডাকার্ণব’, ‘সরহপাদের দোহা’ ও ‘কৃষ্ণপাদের দোহা’ গ্রন্থের সম্মিলনে ‘হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধ গান ও দোহা নামে প্রকাশিত হয়। -চর্যাপদ তিব্বতি ভাষায় অনুবাদ করেছিলেন কীর্তিচন্দ্র। - ১৯৩৮ সালে প্রবোধচন্দ্র বাগচী তিব্বতি ভাষায় অনূদিত চর্যাপদ আবিষ্কার করে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের জার্নালে প্রকাশ করেন। উল্লেখ্য, চর্যাপদের পদগুলো টীকার মাধ্যমে ব্যাখ্যা করেন মুনিদত্ত। চর্যাপদের পদসংখ্যা ৫১টি এবং পদকর্তা ২৪ জন। ● চর্যাপদের পদকর্তা: লুইপা, কাহ্নপা, আর্যদেবপা, কঙ্কণপা, কম্বলাম্বরপা, কুক্কুরীপা, গুণ্ডরীপা, চাটিলপা, জয়নন্দীপা, ঢেগুণপা, ডোম্বীপা, তান্তীপা, তাড়কপা, দারিকপা, ধর্ম্মপা, বিরূপা, বীণাপা, ভাদেপা, ভুসুকুপা, মহীণ্ডাপা, লাড়িডোম্বীপা, শবরপা, শান্তিপা, সরহপা।

    Find Tutors

    View all Tutors