Subject
বাংলাদেশ বিষয়াবলি
Topic
বাংলাদেশের সংবিধান
চতুর্থ সংশোধনীর বিপরীত সংশোধনী বলা হয় যে সংশোধনীকে-
চতুর্থ সংশোধনীর বিপরীত সংশোধনী বলা হয় যে সংশোধনীকে-
ক)
ষষ্ঠখ)
অষ্টমগ)
দশমঘ)
দ্বাদশExplanation
✔ ১৯৯১ সালের ৬ আগস্টের এ সংশোধনীর মাধ্যমে ১৭ বছর পর দেশে পুনরায় সংসদীয় সরকার প্রতিষ্ঠিত হয় এবং উপরাষ্ট্রপতির পদ বিলুপ্ত করা হয়। সংশোধনীটি উত্থাপন করেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। ৩০৭-০ ভোটে বিলটি পাস হয়। একাদশের মত এ বিলটিও সরকারি ও বিরোধী দলের ঐকমত্যের ভিত্তিতে পাস হয়। এ সংশোধনীর মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন পদ্ধতি এমনভাবে প্রণীত হয়েছে যে, প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক মনোনীত ও অনুমোদিত না হলে কোন ব্যক্তি রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হতে পারবেন না। তার উপর সংবিধানের ৭০ নং অনুচ্ছেদ প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতাকে অপ্রতিরোধ্য করে তুলেছে। এর মাধ্যমে নির্বাহী ক্ষমতা অত্যাধিক মাত্রায় প্রধানমন্ত্রীর উপর ন্যস্ত হয়েছে। ✔ ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারী সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে দেশে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়। অর্থাৎ, চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে দেশে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয় এবং দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তা বিলুপ্তু করা হয়।Related questions
কোন সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি শাসন ব্যবস্থা চালু করা হয়?সংসদীয় শাসন পদ্ধতির পরিবর্তে রাষ্ট্রপতি শাসিত শাসন পদ্ধতি চালু এবং বহুদলীয় রাজনীতির পরিবর্তে একদলীয় রাজনীতি প্রবর্তন করা হয় কোন সংশোধনীর মাধ্যমে?এ পর্যন্ত সংবিধানে কয়টি সংশোধনী আনা হয়েছে?তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ১৫ তম সংশোধনীর মাধ্যমে রদ করা করা হয়।এখন প্রশ্ন হলো এটি কততম সংশোধনীর মাধ্যমে প্রণয়ন করা হয়েছিল?জরুরি অবস্থার বিধান আনা হয় কোন সংশোধনীতে?রাস্ট্রপতি শাসিত শাসন ব্যবস্থা জারি হয় কোন সংশোধনীতে?বহুদলীয় শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা হয় কোন সংশোধনীতে?সংবাদপত্রের স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠা পায় কোন সংশোধনীতে?
