Subject

    আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি

    Topic

    পরিবেশ ও জলবায়ু

    কার্টাগেনা প্রটোকল হচ্ছে -

    ক)
    জাতিসংঘের জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক  চুক্তি
    খ)
    ইরাক পুনর্গঠন চুক্তি
    গ)
    যুক্তরাষ্ট্র মেক্সিকো বৈধ চুক্তি
    ঘ)
    জাতিসংঘের শিশু অধিকারবিষয়ক চুক্তি

    Explanation

    কার্টাগেনা প্রোটোকল মূলত জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জৈব নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য তৈরি। এর মূল লক্ষ্য হলো আধুনিক জীবপ্রযুক্তির মাধ্যমে উৎপাদিত জীববৈচিত্র্য পরিবর্তিত (Living Modified Organisms - LMOs) জীবের নিরাপদ পরিবহন, হ্যান্ডলিং এবং ব্যবহারের জন্য একটি আন্তর্জাতিক কাঠামো তৈরি করা। বিশেষ করে LMOs-এর আন্তঃসীমান্ত চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা। প্রোটোকলের মূল বিষয়বস্তু: - "Precautionary Principle" বা সতর্কতামূলক নীতি অনুসরণ করা হয়, অর্থাৎ কোনো প্রযুক্তি বা পণ্য পরিবেশ ও মানব স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে এমন সন্দেহ থাকলে, তার ব্যবহার সীমিত বা নিষিদ্ধ করা যায়। - "Advance Informed Agreement (AIA)" পদ্ধতি: কোনো দেশ LMOs আমদানি করতে চাইলে, রপ্তানিকারক দেশকে আগেই বিস্তারিত তথ্য দিতে হয় এবং আমদানিকারক দেশের সম্মতি নিতে হয়। প্রোটোকলটি জীববৈচিত্র্য রক্ষা, কৃষি, খাদ্য নিরাপত্তা এবং পরিবেশগত ভারসাম্য বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। - প্রোটোকলের আওতায় "Biosafety Clearing-House (BCH)" নামে একটি তথ্য বিনিময় প্ল্যাটফর্ম রয়েছে, যেখানে সদস্য দেশগুলো তথ্য শেয়ার করে। বর্তমানে (২০২৪ পর্যন্ত) ১৭৩টিরও বেশি দেশ এই প্রোটোকলের সদস্য। - এটি জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, কৃষি উৎপাদন, খাদ্য নিরাপত্তা এবং পরিবেশ রক্ষায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতার একটি বড় উদাহরণ। - কার্টাগোনা প্রোটোকল এর পূর্ণরূপ: Cartagena Protocol on Biosafety to the convention on Biological Diversity। - কার্টাগেনা প্রোটকল অনুমোদন: ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৯, কলম্বিয়ার কার্টাগেনা শহরে। তাই শহরের নামানুসারে এর নাম কার্টাগেনা প্রটোকল। - কার্টাগেনা প্রোটকল গৃহীত ও কার্যকর: কানাডার মন্ট্রিল শহরে গৃহীত ও কার্যকর হয়। - স্বাক্ষরিত হয়: ২৯ জানুয়ারি, ২০০০ সালে। - কার্যকর হয়: ১১ সেপ্টেম্বর, ২০০৩ সালে। - চুক্তির পক্ষে স্বাক্ষরকারী দেশ: ১০৩টি। - বাংলাদেশ স্বাক্ষর করে ২০০০ সালে এবং অনুমোদন করে ২০০৪ সালে।

    Find Tutors

    View all Tutors