Subject

    ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

    Topic

    দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

    উত্তর গোলার্ধে ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড়ের বায়ু প্রবাহিত হয়-

    ক)
    ঘড়ির কাটার দিকে
    খ)
    ঘড়ির কাটার বিপরীতে
    গ)
    সোজা
    ঘ)
    কোনটাই সঠিক নয়

    Explanation

    ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির জন্য কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রভাবক রয়েছে, যেগুলোর মধ্যে প্রধান হলো সমুদ্রের তাপমাত্রা ও করিওলিস শক্তি। সমুদ্রের তাপমাত্রা: ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির জন্য সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা কমপক্ষে ২৬-২৭° সেলসিয়াস হতে হয় এবং এ তাপমাত্রা প্রায় ৫০ মিটার গভীর পর্যন্ত বজায় থাকতে হয়। এজন্য সাধারণত কর্কট ও মকর ক্রান্তিরেখার কাছাকাছি অবস্থিত সমুদ্র অঞ্চলে গ্রীষ্মকালে বা গ্রীষ্মের শেষে ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হয়। পৃথিবীর ঘোরা (করিওলিস শক্তি): নিরক্ষীয় অঞ্চলে গরমে উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ু ওপরে উঠে গেলে সৃষ্ট শূন্যস্থান পূরণে মেরু অঞ্চল থেকে ঠান্ডা বায়ু প্রবাহিত হয়। কিন্তু পৃথিবীর ঘূর্ণনের ফলে সৃষ্ট করিওলিস শক্তি বায়ুকে সোজাসুজি না চালিয়ে উত্তর গোলার্ধে ডান দিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বাম দিকে বাঁকিয়ে দেয়। এর ফলে ঘূর্ণিবায়ুর আবর্তন সৃষ্টি হয়। - উত্তর গোলার্ধে ঘূর্ণিঝড় ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে - দক্ষিণ গোলার্ধে ঘড়ির কাঁটার দিকেই ঘুরে থাকে। এই কারণে, সাধারণত নিরক্ষরেখার ৫° থেকে ৩০° উত্তর ও দক্ষিণ অক্ষাংশের মধ্যে ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হয়। নিরক্ষরেখার ৫°–২০° অঞ্চলে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড়কে ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড় বলা হয়। এভাবে উষ্ণ সমুদ্রজল এবং পৃথিবীর ঘূর্ণনের প্রভাবে সৃষ্ট করিওলিস শক্তির সম্মিলনে ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হয়।

    Find Tutors

    View all Tutors