Subject
বাংলা ভাষা
Topic
কারক ও বিভক্তি
"আহারে রুচি নেই"- এখানে "আহারে"-
"আহারে রুচি নেই"- এখানে "আহারে"-
ক)
অপাদানে সপ্তমীখ)
অধিকরণে পঞ্চমীগ)
অধিকরণে সপ্তমীঘ)
কর্মে ষষ্ঠীExplanation
যে স্থানে বা যে সময়ে ক্রিয়া সম্পাদিত হয় তাকে অধিকরণ কারক বলে। যেমনঃ ছেলেরা মাঠে খেলে। ছাত্রীরা পাঠাগারে পড়ে। বাক্যে যে পদে ক্রিয়ার আধারকে বোঝায় তাকে বলে অধিকরণ কারক। ক্রিয়া পদকে ধরে কোথায়, কোন স্থানে, কখন, কোন সময়, কবে, কোন বিষয়ে বা ব্যাপারে এসব দিয়ে প্রশ্ন করলে তার উত্তরে অধিকরণ কারক পাওয়া যায়। » ছাত্ররা ক্লাসে পড়ে। কোথায় পড়ে? উঃ- ক্লাসে। - “ক্লাসে” অধিকরণ কারক। » তারা সকালে পড়ে। কখন পড়ে? উঃ - সকালে। “সকালে” অধিকরণ কারক। ● অধিকরণ কারক তিন ধরনেরঃ ১। আধারাধিকরণঃ যে অধিকরণে ক্রিয়ার আধার বা স্থান বোঝায় তাকে আধারাধিকরণ বলে। যেমনঃ- পুকুরে মাছ আছে। তিলে তেল আছে। তুমি এ পথে যেয়ো। ২। কালাধিকরণঃ - ক্রিয়ার সম্পাদনের কালবাচক অধিকরণ হলে তাকে কালাধিকরণ বলে। যেমনঃ - কাল সকালে এসো, বসন্তে ফুল ফোটে ৩। ভাবাধিকরণঃ- অধিকরণ কারকে ভাবের অভিব্যক্তি প্রকাশ পেলে তাকে ভাবাধিকরণ বলে। যেমন : আজ বাবা বাড়ি নেই। ● বিভক্তি প্রয়োগ : শূণ্য বিভক্তি : রানী চাটগাঁ যাবে। কলেজ ছুটি থাকে শুক্রবার। সন্ধ্যার সময় এসো। দ্বিতীয় বিভক্তি : হৃদয় আমার নাচেরে আজিকে। ঘরকে যাও। তৃতীয় বিভক্তি : বড় রাস্তা দিয়ে যেও। পথ দিয়ে চল। পঞ্চমী বিভক্তি : ছাদ থেকে নদী দেখা যায়। বাড়ি থেকে চেয়ে দেখ। সপ্তমী বিভক্তি : সে ব্যাকরণে বুৎপত্তি লাভ করেছে। লবণে সোডিয়াম আছে। আমাদের গাঁয়ে নদী আছে। আহারে রুচি নেই। আমাদের সেনারা সাহসে দুর্জয়, যুদ্ধে অপরাজেয়। আকাশে চাঁদ উঠেছে। কাননে কুসুম কলি সকলি ফুটিল। রাতে মশা দিনে মাছি, এই নিয়ে ঢাকায় আছি।Related questions
কারক নির্ণয় করুন-লোভেপাপ,পাপেমৃত্যু।কারক কয় প্রকার?ক্রিয়াপদের সাথে সম্পর্কযুক্ত পদকে বলে-‘ফুলে ফুলে ঘর ভরেছে’- বাক্যটিতে ‘ফুলে ফুলে’ কোন কারকে কোন বিভক্তি ?‘জিজ্ঞাসিব জনে জনে’ কোন কারকে কোন বিভক্তি?"সেয়ানে সেয়ানে লড়াই চলছে" - এ বাক্যতে সেয়ানে সেয়ানে কী?'পুকুর থেকে মাছ পাই' বাক্যটি কোন অর্থে অপাদান কারক ব্যবহৃত হয়েছে ?আয়ু যেন পদ্ম পাতায় নীর- এই বাক্যে পদ্ম পাতায়
